সোমবার, ৫ নভেম্বর, ২০১২

ভাগবতের আলোকে সূর্য (Vedic Concept Of Sun)

ভাগবতের আলোকে সূর্য (Vedic Concept Of Sun)

সূর্যের ব্যাস ও দূরত্ব (Diameter & Distance of Sun)

ভাগবতে বর্ণনা করা হয়েছে সূর্য পৃথিবী থেকে ১ কোটি যোজন বা ৮ কোটি মাইল দূরে অবস্থিত ।

সূর্যের ব্যাস ----

যদদস্তরণের্মন্ডলং প্রতপতস্তদ্বিস্তদ্বিস্তরতো যোজনাযুতমাচক্ষতে দ্বাদশসহস্রং সোমস্য ত্রয়োদশসহস্রং রাহোর্যঃ পর্বণি তদ্ব্যবধানকৃদ্ বৈরানুবন্ধ সূর্যাচন্দ্রসাবভিধাবতি ।। (ভাগবত ৫/২৪/২)
অনুবাদ
তাপের উৎস সূর্যমন্ডল ১০,০০০ যোজন এবং রাহুমন্ডলের বিস্তার ৩০,০০০ যোজন । পূর্বে অমৃত বিতরণের সময়, রাহু সূর্য এবং চন্দ্রের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি করিয়া শত্রুতা সৃষ্টি করিতে চেষ্টা করিয়াছিল । রাহু সূর্য এবং চন্দ্র উভয়েরই প্রতি বেরীভাবাপন্ন এবং তাই সে প্রত্যেক অমাবস্যা ও পূর্ণিমাতে তাহাদের আচ্ছাদিত করিতে চেষ্টা করে ।

এই শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে, সূর্যের ব্যাস বা বিস্তার ১০,০০০ (দশ হাজার) যোজন অর্থাৎ ৮০,০০০ (আশি হাজার) মাইল । সূর্যের ব্যাস বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন ৮৬,৫০০ (ছিয়াশি হাজার পাঁচশত) মাইল ।

পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব -----

ভূমে র্যোজনলক্ষে তু সংস্থিতং রবিমণ্ডলম্ ।
যোজনানাং সহস্রাণি দশৈব পরিসংখ্যায় ।। (শিবপুরাণম্ ধর্মসংহিতা অধ্যায় ৩৫/২)
অনুবাদ
ভূমি হইতে শত লক্ষ যোজন দূরে রবিমন্ডল অবস্থিত যাহা পরিসংখ্যানের মাধ্যমে জানা যায় ।

এই শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে, পৃথিবী হতে সূর্যের দূরত্ব ১ কোটি যোজন বা ৮ কোটি মাইল ।
বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন পৃথিবী হতে সূর্যের দূরত্ব ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল প্রায় এবং সূর্যের ব্যাস পৃথিবী ব্যাসের প্রায় ১১০০ গুণ অর্থাৎ ৮৬,৫০০ মাইল বা ১৩৯২০৪৪.৫০ কিলোমিটার । এখানে দেখা যাচ্ছে সূর্যের দূরত্ব এবং ব্যাস বিষয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা ভাগবতের খুব কাছাকাছি ।

সনাতন ধর্মে বর্ণপ্রথা

বর্ণপ্রথা-বর্তমান সময়ে হিন্দুসমাজের অন্যতম বড় শত্রু।কিন্তু প্রকৃত সত্য কি?অনেকেই হয়তো জানেন।তবু যারা জানেন না তাদের জন্য আরেকবার বেদের আলোকে আলোচনা করছি।

প্রথমেই নামের বিষয়টা খেয়াল করা যাক।মূল এবং সঠিকনাম হচ্ছে বর্ণাশ্রম।এখানে বর্ণ শব্দটি এসেছে 'Vrn' root থেকে যার অর্থ 'To choose বা পছন্দ করা অর্থাত্‍ পছন্দ অনুযায়ী আশ্রম বা পেশা নির্ধারন।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের সমাজে এখন একে জন্মসূত্রে বিবেচনা করা হয়।ভট্যাচার্য, চট্যপাধ্যায় নামের পাশে থাকলেই ব্রাক্ষ্মন অথবা দাস,রায় থাকলেই শূদ্র এরকম হাস্যকর কিছু ধারনা প্রচলিত।আমি বুঝিনা কি করে মানসিকভাবে সুস্থ বলে পরিচিত এই আমরা এগুলো বিশ্বাস করি!চলুন দেখা যাক বেদ এ ব্যাপারে কি বলে।

ঋগবেদ ১.১১৩.৬
"একজন জ্ঞানের উচ্চ পথে(ব্রাক্ষ্মন ,অপরজন বীরত্বের গৌরবে(ক্ষত্রিয়) , একজন তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে(পেশাভিত্তিক)­, আরেকজন সেবা এর পরিশ্রম এ(শূদ্র)। সকলেই তার ইচ্ছামাফিক পেশায়,সকলের জন্যই ঈশ্বর জাগ্রত।

ঋগবেদ ৯.১১২.১
একেকজনের কর্মক্ষমতা ও আধ্যাত্মিকতা একেকরকম আর সেঅনুসারে কেউ ব্রাক্ষ্মনকেউ ক্ষত্রিয় কেউ বেশ্য কেউ শূদ্র।

ব্রাক্ষ্মন কে?

ঋগবেদ ৭.১০৩.৮
যে ঈশ্বরের প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত, অহিংস,সত্‍,নিষ্ ঠাবান, সুশৃঙ্খল,বেদ প্রচারকারী, বেদ জ্ঞানী সে ব্রাক্ষ্মন।

ক্ষত্রিয় কে?

ঋগবেদ ১০.৬৬.৮
দৃড়ভাবে আচার পালনকারী, সত্‍কর্মের দ্বারা শূদ্ধ, রাজনৈতিক জ্ঞান সম্পন্ন,অহিংস,ঈ শ্বর সাধক,সত্যের ধারক ন্যায়পরায়ন,বিদ্ বেষমুক্ত ধর্মযোদ্ধা,অসত্ ‍ এর বিনাশকারী সে ক্ষত্রিয়।

বৈশ্য কে?

অথর্ববেদ ৩.১৫.১
দক্ষ ব্যবসায়ী দানশীল চাকুরীরত এবং চাকুরী প্রদানকারী

শূদ্র কে?

ঋগবেদ ১০.৯৪.১১
যে অদম্য,পরিশ্রমী, অক্লান্ত জরা যাকে সহজে গ্রাস করতে পারেনা,লোভমুক্ত কষ্টসহিষ্ণু সেই শূদ্র।

এ হচ্ছে নির্ভেজাল যোগ্যতা অনুযায়ী ব্যবস্থা। যেমনভাবে এখনকার সময়ে ডিগ্রী প্রদান করা হয়, যজ্ঞপবিত দেয়া হতো বৈদিক নিয়ম অনুসারে। তাছাড়া, আচরণবিধির সাথে অসম্মতি ঘটলে যজ্ঞপবিত নিয়ে নেয়া হতো বর্ণগুলোর। ডাক্তার এর ছেলে যেমন ডাক্তার হবেই এমন কোন কথা নেই।ডাক্তার এর ঘরে জন্ম নিলেই এম.বি.বি.এস এর সার্টিফিকেট যেমন পাওয়া যায়না ঠিক তেমন ব্রাহ্মন এরঘরে জন্ম নিলেই ব্রাহ্মন হওয়া যায়না।বৈদিক বর্নাশ্রম ও একই।

বৈদিক ইতিহাসে অনেক উদাহরণ রয়েছে এ ধরনের-

(ক) ঋষি ঐতরেয়া ছিলেন দাস বা অপরাধীর পুত্র কিন্তু তিনি পরিণত হন শীর্ষ ব্রাহ্মণদের মধ্যে একজন এবং লেখেন ঐতরেয়া ব্রাহ্মনএবং ঐতরেয়াপোনিষদ। ঐতরেয়া ব্রাহ্মনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয় ঋগবেদ বোঝারজন্য।

(খ) ঋষি ঐলুশ জন্মেছিলেন দাসীর ঘরে যিনি ছিলেন জুয়াখোর এবং নিচু চরিত্রের লোক। কিন্তু এই ঋষি ঋগবেদের উপর গবেষণা করেন এবং কিছু বিষয়আবিষ্কার করেন। তিনি শুধুমাত্র ঋষিদের দ্বারা আমন্ত্রিতই হতেন না এমনকি আচার্য্য হিসেবেও অধিষ্ঠিতহন। (ঐতরেয়া ব্রহ্ম ২.১৯)

(গ) সত্যকাম জাবাল ছিলেন এক পতিতার পুত্র যিনি পরে একজনব্রাহ্মণ হন।

(ঘ) প্রীষধ ছিলেন রাজা দক্ষের পুত্র যিনি পরে শূদ্র হন। পরবর্তীতে তিনি তপস্যা দ্বারা মোক্ষলাভ করেন প্রায়ঃশ্চিত্তে র পরে। (বিষ্ণু পুরাণ ৪.১.১৪) যদি তপস্যা শূদ্রদের জন্য নিষিদ্ধ হতো যেমনভাবে উত্তররামায়ণের নকল গল্প বলে, তাহলে প্রীষধ কিভাবে তা করল?

(ঙ) নবগ, রাজা নেদিস্থের পুত্র পরিণত হন বৈশ্যে। তার অনেক পুত্র হয়ে যান ক্ষত্রিয়। (বিষ্ণু পুরাণ ৪.১.১৩)

(চ) ধৃষ্ট ছিলেন নবগের (বৈশ্য) পুত্র কিন্তু পরে ব্রাহ্মণ হন এবং তার পুত্র হন ক্ষত্রিয়। (বিষ্ণু পুরাণ ৪.২.২)

(ছ) তার পরবর্তী প্রজন্মে কেউ কেউ আবার ব্রাহ্মণ হন। (বিষ্ণু পুরাণ ৯.২.২৩)

(জ) ভগবদ অনুসারে অগ্নিবেশ্য ব্রাহ্মণ হন যদিও তিনি জন্মনেন এক রাজার ঘরে।

(ঝ) রাথোটর জন্ম নেন ক্ষত্রিয় পরিবারে এবং পরে ব্রাহ্মণ হন বিষ্ণু পুরাণ ও ভগবদ অনুযায়ী।

(ঞ) হরিৎ ব্রাহ্মণ হন ক্ষত্রিয়ের ঘরে জন্ম নেয়াসত্ত্বেও। (বিষ্ণু পুরাণ ৪.৩.৫)

(ট) শৌনক ব্রাহ্মণ হন যদিও ক্ষত্রিয় পরিবারে জন্ম হয়। (বিষ্ণু পুরাণ ৪.৮.১) এমনকি বায়ু পুরাণ, বিষ্ণু পুরাণ ও হরিবংশ পুরাণ অনুযায়ী শৌনক ঋষির পুত্রেরা সকল বর্ণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
একই ধরনের দৃষ্টান্ত পাওয়াযায় গ্রীতসমদ, বিতব্য ও বৃৎসমতির মধ্যে।

(ঠ) মাতঙ্গ ছিলেন চন্ডালের পুত্র কিন্তু পরে ব্রাহ্মণ হন।

(ড) রাবণ জন্মেছিলেন ঋষি পুলৎস্যের ঘরে কিন্তু পরে রাক্ষস হন।

(ঢ) প্রবৃদ্ধ ছিলেন রাজা রঘুর পুত্র কিন্তু পরে রাক্ষস হন।

(ণ) ত্রিশঙ্কু ছিলেন একজন রাজা যিনি পরে চন্ডাল হন।

(ত) বিশ্বামিত্রের পুত্রেরা শূদ্র হন। বিশ্বামিত্র নিজেছিলেন ক্ষত্রিয় যিনি পরে ব্রাহ্মণ হন।

(থ) বিদুর ছিলেন এক চাকরের পুত্র কিন্তু পরে ব্রাহ্মণ হন এবং হস্তিনাপুর রাজ্যের মন্ত্রী হন।

৯। "শূদ্র" শব্দটি বেদে দেখা গেছে প্রায় ২০ বারের মতো। কোথাও এটি অবমাননাকরভাবে ব্যবহৃত হয়নি। কোথাও বলা হয়নি শূদ্রেরা হলো অস্পর্শযোগ্য, জন্মগতভাবে এই অবস্থাণে, বেদ শিক্ষা হতেঅনুনোমোদিত, অন্যান্য বর্ণের তুলনায় নিম্ন অবস্থাণের, যজ্ঞে অনুনোমোদিত।

১০। বেদে বলা হয়েছে শূদ্র বলতেবোঝায় কঠিন পরিশ্রমী ব্যক্তি। (তপসে শূদ্রম্‌ - যজুর্বেদ ৩০.৫)
একারণেই পুরুষ সুক্ত এদের বলে পুরো মানব সমাজের কাঠামো।

এজন্যেই পবিত্র বেদ ঘোষনা করেছে সাম্যের বানী-

ঋগবেদ ৫.৬০.৫
অজ্যেষ্ঠাসো অকনিষ্ঠাস
এতে সং ভ্রাতারো তাবৃধুঃ সৌভগায়
যুবা পিতা স্বপা রুদ্র
এযাং সুদুঘা পুশ্নিঃ সুদিনা মরুদ্ভঃ ॥

বঙ্গানুবাদ :কর্ম ও গুনভেদেকেউ ব্রাহ্মন,কেউ ক্ষত্রিয়,কেউ বৈশ্য,কেউ শুদ্র।তাদের মধ্যে কেহ বড় নয় কেহ ছোট নয় ।ইহারা ভাই ভাই ।

সৌভাগ্য লাভের জন্য ইহারা প্রযত্ন করে ।ইহাদের পিতা তরুন শুভকর্ম ঈশ্বর এবং জননীরুপ প্রকৃতি ।
পুরুষার্থী সন্তানকেই সুদিন প্রদান করে । তাহলে দেখুন কি পাপটাই না করে চলেছি আমরা!

নিজ ধর্মকে নিজে সম্মান করুন তাহলে অন্যরাও সম্মান করবে

শুধু দুর্গাপূজার সময়ই অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ধর্ম যার যার উত্‍সব সবার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হাবিজাবি কথা শুনি। ঈদে তো এগুলি শুনি না। অন্য ধর্মাবলম্বীদের উত্‍সবকে একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের উত্‍সব বলা হয়। আর ঈদ হল জাতীয় উত্‍সব। প্রকাশ্যে হিন্দুদের অপমান করা হয়। মুসলমানরা ইসলামকে নিয়ে একটা কটুক্তিও সহ্য করতে রাজি নয়। আর কিছু কিছু হিন্দু তো নিজ ধর্মের অপমান মুখ বুজে সহ্য করে। কিছু কিছু আধুনিক আধুনিকা নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয়ে দিয়ে ইমেজ বাড়ায়। এভাবে বেঁচে থেকে কি লাভ? প্রতিবাদী হওয়াও ধর্মের শিক্ষা। নিজ ধর্মকে নিজে সম্মান করুন তাহলে অন্যরাও সম্মান করবে।
 
কৃতজ্ঞতায়ঃ Pritilata Waddedar
 

নিমন্ত্রণ করেন হিন্দু হওয়ার

আপনাকে যদি কেউ 100 বার দাত্তয়াত দেয় ...... আর আপনি যদি থাকে একটিবারত্ত নিমন্ত্রণ না করেন ... তবে কি আপনার মান-সম্মান থাকবে ...? আপনার ব্যক্তিত্ব বলে কিছু থাকবে ...? আপনি তো একজন অকৃতজ্ঞ হয়ে যাবেন। আপনি তো ঋণি থাকবেন !! কাজেই আপনাকে অবশ্যই আপনার মান-সম্মান রক্ষা করতে হবে, ব্যক্তিত্ব বজায় রাখতে হবে। আপনি অবশ্যই তাকে নিমন্ত্রণ করবেন।

বি:দ্র: এমন কোন হিন্দু ছেলে-মেয়ে আছে বলে মনে হয় না .... যারা কমপক্ষে 100 বার ........... দাত্তয়াতের (ধর্মান্তরের) শিকার হয় নি। কাজেই আমাদেরকেত্ত নিমন্ত্রণ করতে শিখতে হবে, নিমন্ত্রণ করতে হবে। নতুবা আমার যে ঋণি থেকে যাব !!!!!!!!!
 
— with Pintù Dhar.   

শুধু বসে বসে মালা চাপলেই সনাতন ধর্মকে রক্ষা করা যাবে না

শুধু বসে বসে মালা চাপলেই সনাতন ধর্মকে রক্ষা করা যাবে না। বসে বসে মালা চাপার জায়গাত্ত তো (মন্দিরগুলো) অন্যরা বেদখল করে নিচ্ছে। কাজেই আমাদেরকে যে করেই হোক মান্দির গুলো রক্ষা করতে হবে। তাছাড়া সনাতন ধর্মের প্রধান ভিত্তি হল ... সনাতন ধর্মের অনুসারী সকল ভক্তবৃন্দ। দিন দিন আমাদের এ ভিত্তিত্ত দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে যাচ্ছে। দিন দিন সবাই আমরা বিভিন্ন মত ত্ত পথে বিভক্ত হতে চলেছি। প্রতিদিন ব্যাঙ-এর ছাতার মত নতুন নতুন গুরু'র আবির্ভাব ঘটছে। সবাই আমাদেরকে বিভিন্ন গ্রুপ সাব-গ্রুপ-এ বিভক্ত করে চলেছেন। শিষ্যের দেয়া টাকা-পয়সা খেয়ে গুরুরা পেট মোটা করে খুব আরামেই দিন কাটাচ্ছেন। কিন্তু মন্দির রক্ষা, একতা, ধর্মান্তর প্রতিরোধ ..... এগুলোর জন্য কোন গুরু-ই কাজ করেন না। অথচ এক কাজগুলো তাদেরই করার কথা !! আরেকটি ভয়ংকর দিক হল .... অনেক গুরু আমাদের গীতা, বেদ ..... এগুলো প্রচার না করে নিজের তৈরি মনগড়া ছন্দ প্রচারে ব্যস্ত। এতে করে সনাতন ধর্মের বিকৃতি ঘটছে .... একতা নষ্ট হচ্ছে।

লাভ জিহাদ

( কাল্পনিক নাম ব্যবহার করা হয়েছে, বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে লেখা,   লাভ জিহাদীদের দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে হিন্দু মেয়ে পটানো )

১ম বর্ষের ১ম ক্লাস: প্রথম ক্লাসেই লাভ জিহদীরা ভাল করে খেয়াল ( ক্লাসে নাম ডাকার সময়) করে ক্লাসে কতগুলো হিন্দু মেয়ে আছে।

২য় ক্লাস: লাভ জিহাদী নিজ থেকেই হিন্দু মেয়েগুলোর সাথে পরিচিত হবে এবং বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিবে ..... কারণে-অকারণে "হাই চাদনী" .... "হেই সোমা" ..... চলতেই থাকবে .... এভাবে কয়েক'মাস যাবে।

৪র্খ মাস: আস্তে আস্তে লাব জিহাদীদের সাথে বন্ধুত্ব অনেক গভীর হয়ে যাবে। হিন্দু মেয়েগুলো প্রথম থেকেই হিন্দু ছেলেগুলোকে এড়িয়ে চলবে... কি জানি যদি প্রেম হয়ে যায় !!! অপরদিকে ইতোমধ্যে লাভ জিহাদীদের সাথে মোবাইল নাম্বার বিনিময় হয়ে গেছে। শুরু হয়ে গেল রাত জেগে কথা বলা।

৮ম মাস: লাভ জিহাদী এটা খাত্তয়াবে .... ত্তটা খাত্তয়াবে ..... এখানে যেতে বলবে .... ত্তখানে যেতে বলবে ... .....বলবে চল কোথাত্ত ঘুরতে যাই ..... ( এভাবে প্রথম বর্ষ কেটে যাবে )

২য় বর্ষ: ইতো্মধ্যে মনের অজান্তেই মন-বিনিময় হয়ে গেছে। লাভ জিহাদী আস্তে আস্তে কাজী অফিসের দিকে যাতায়াত শুরু করবেন। অত:পর বিবাহ সম্পন্ন। নাম এফিডেভিট করে মোছা: জরিনা বেগম।

বিবাহ জীবন, ১ম কয়েক মাস: শুরু হবে ইসলামাইজেশন, অনুষ্ঠান করে গরুর মাংশ খাত্তয়ানো। ইত্যাদি ইত্যাদি ... আরত্ত অনেক কিছু।

আস্তে আস্তে শুরু হয় শারিরীক নির্যাতন .... যেৌতুকের জন্য চাপাচাপি ...... মালাউনের মেয়ে ... পরিবারের সবাই মিলে ইত্যাদি বিভিন্ন রকমের গালাগাল.....

অপরদিকে, লাভ জিহাদী শুধু বলবে .... "মানিয়ে নাত্ত.... মানিয়ে নাত্ত" ... সব ঠিক হয়ে যাবে।

বিবাহীত জীবনের 2/3 বছর যাবার পর ডিভোর্স, কারণ ইতোমধ্যে দেহভোগ করা হয়ে গেছে। আর কি চাই ... !! ...?

উদাহরণ: শ্রাবন্তী দত্ত তিন্নিী ... আরত্ত অসংখ্য উদাহরণ পাবেন.. আপনার চারপাশে থাকান।
 
কৃতজ্ঞতায়ঃ  Pritilata Waddedar

রংপুরে আবার হিন্দু নির্যাতন

রংপুর-মিঠাপুকুরে ছড়ানে একটি হিন্দু পরিবার দখলের চেষ্টা ভাংচুর অগ্নিসংযোগ লুটপাটের ঘটনায় গ্রেফতার ০২ আহত প্রায় ২০জনঃ
মিঠাপুকুরের ছড়ানে সন্ত্রাসীরা একটি হিন্দু বাড়ী দখলের চেষ্টা ভাংচুর অগ্নিসংযোগ লুটপাট চালিয়েছে ঘটনায় প্রায় ২০জন নারী-পুরুশ আহত।
ঘটনাটি ঘটেছে (০৪/১১/২০১২খ্রিঃ) রবিবার সকাল অনুমানিক ৮.৩০ ঘটিকায় রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ১১নং বড়বালা ইউনিয়নের ছড়ান বাজার সংলগ্ন হিন্দু বসতীপাড়ায়। ছড়ান বাজার সংলগ্ন হিন্দু পাড়ায় বাবু হৃদয় চন্দ্র মহন্ত এবং আশ-পাশে ৪/৫টি পরিবার প্রায় ৪০ বছর ধরে বসবাস করে ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছেন।
গত রবিবার হঠাৎ করে পূর্ব বড়বালা গ্রামের গোলাম মোস্তফা ও কামরুজ্জামানের নের্তৃত্বে ৪০/৫০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাবু হৃদয় মোহন্তের বাড়ী ও পাশের বাড়ী, দোকান, মুদি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে নগদ টাকা ও মালামাল লুটপাট করে ।
এ সময় বাড়ীর নারী-পুরুষ ও প্রতিবেশীরা বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা ছোরা, লাঠি, দা, কুড়াল, বল্লম, হাসুয়া দিয়ে এলপাতাড়ী ভাবে বেধম মারপিট করে ৮ মহিলা সহ প্রায় ২০জনকে গুরুত্বর আহত করে। দিন দুপুরে সন্ত্রাসীদের তান্ডবে এলাকার লোকজন ভয়ে এগিয়ে আসতে পারেন নি।
ঘটনা স্থলে ২ সন্ত্রাসী গোলাম মোস্তফা ও কামরুজ্জামান গ্রেফতার হয়। অত্র এলাকায় জানাযায় যে উক্ত সন্ত্রাসীরা পূর্ব থেকে ডাকাতি পেশায় সম্পৃক্ত ।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, রংপুর জেলা শাখার আহবায়ক, বাবু লক্ষন চন্দ্র বর্মন সহ নেতৃবন্দ ঘটনা স্থল পরিদর্শন এবং আহত ব্যক্তিদের মিঠাপুকুর হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন ।
 ক্রিতজ্ঞতায়ঃ Hinduveer